কার্ড পেমেন্টে ক্রেতার ২%-৩% চার্জ পরিশোধ কি বৈধ?

০৯ মার্চ,২০২২

কার্ড পেমেন্টে ক্রেতার ২%-৩% চার্জ পরিশোধ কি বৈধ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জিনিয়া ফেরদৌস কয়েক মাস আগে তার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে মোবাইল হ্যান্ডসেট কিনতে যান। সে সময় বিক্রেতারা জানান বিল কার্ডে পরিশোধ করলে মূল বিলের ওপর ২% চার্জ প্রযোজ্য হবে। ক্যাশে পরিশোধ করলে কোন বাড়তি টাকা দিতে হবে না।

মোট বিলের ওপর ২% যোগ হওয়ার পর সেই অংক প্রায় এক হাজার টাকায় দাঁড়ায়। এমন অবস্থায় তিনি অন্যের থেকে ধারে ক্যাশ নিয়ে মোবাইলটি কিনতে বাধ্য হন।

তিনি বলেন, একটা ভালো মানের স্মার্টফোন দাম তো কম না। এর ওপর যদি ২% অ্যাড হয়, তাহলে খরচ অনেক বেড়ে যায়। মানুষ কি এখন এতো টাকা নিয়ে চলাফেরা করে? কার্ডেই তো কিনবে। এটা তো হয়রানি ছাড়া কিছু না।

তবে কয়েকদিন আগে আরেকটি মোবাইল কিনতে গিয়ে বাধ্য হয়েই তাকে ক্রেডিট কার্ডে বিল দেয়া বাবদ সেই বাড়তি চার্জ পরিশোধ করতে হয়েছে।

এ বিষয়ে আরও স্বচ্ছতার প্রয়োজন জানিয়ে ক্রেতা ফেরদৌস বলেন, ওরা যদি আগে জানাতো যে কার্ডে কিনতে গেলে এক্সট্রা চার্জ দিতে হবে তাহলে আমি কিনতাম না। সেলস পারসনরা বলে এটাই নাকি নিয়ম। দেশের বাইরে কোথাও তো আমাকে কার্ডে পেমেন্টের জন্য এক্সট্রা চার্জ দিতে হয়নি।

বিক্রেতারা কী বলছেন?
ঢাকার কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের জন্য বহুল পরিচিত আইডিবি ভবনের একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে একটি ল্যাপটপ কেনার ব্যাপারে এক বিক্রয়কর্মীর সাথে টেলিফোনে কথা হয়।

ল্যাপটপের দাম তিনি ৫১ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ হাজার টাকা রাখার কথা বললেও যে মুহূর্তে আমি জানাই যে কার্ডে পেমেন্ট করবো, তিনি জানান, তাহলে তার পক্ষে সেই ডিসকাউন্ট দেয়া সম্ভব হবে না।

কারণ কার্ডে পেমেন্ট করা হলে ব্যাংককে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। এক্ষেত্রে ক্যাশে পেমেন্টের ওপর জোর দেন তিনি।

এই বাড়তি টাকা কাটার কারণ হিসেবে ঢাকার আরেকটি মোবাইল শপের বিক্রয়কর্মী জানান, এই অতিরিক্ত চার্জ ব্যাংক তাদের থেকে কেটে রাখে। এর এক পয়সাও বিক্রেতারা পান না। এ কারণে তারা ক্রেতাদের থেকে সেই চার্জটি তারা নেন।

ইলেকট্রনিক পণ্যের বড় বড় দোকান, স্বর্ণ, ডায়মন্ড অলংকারে বিলাসবহুল দোকান থেকে শুরু করে এমনকি ছোটখাটো দোকানপাটেও কেনাকাটা করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন অনেক ক্রেতা।

সাথে ক্যাশ না থাকা, আশেপাশে এটিএম বুথ না থাকা, বুথ থাকলেও ডেবিট কার্ডে দৈনিক টাকা উত্তোলনের একটি সীমা বেঁধে দেয়া থাকায় কিংবা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলা বাবদ বাড়তি চার্জ যুক্ত হওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে দোকানে বাড়তি চার্জ দিয়েই পণ্য কেনেন।

আবার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ইএমআই বা নির্দিষ্ট মেয়াদে কিস্তিতে পণ্য কিনতে গেলেও যোগ হচ্ছে এই অতিরিক্ত চার্জ। সেটা সুদ বাবদ নয় বরং কার্ডে পেমেন্টের জন্য দিতে হচ্ছে।

চার্জটি কিসের ভিত্তিতে কাটা হয়?
ব্যাংকের এই চার্জ ক্রেতাদের নং বরং বিক্রেতাদেরই দেয়ার নিয়ম বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসিনা শেখ।

তার মতে, দোকানিরা ব্যাংকের পজ মেশিন থেকে শুরু করে ব্যাংকের গেটওয়ে ব্যবহার করে পেমেন্ট নিচ্ছে। এই সেবা তারা নিচ্ছে, ক্রেতারা নয়।

আর কার্ড পেমেন্ট গ্রাহকদের দোকানে কেনাকাটায় গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে। সুতরাং এক্সট্রা টাকা চার্জ হলে সেটা কোন অবস্থাতেই গ্রাহক দেবে না। টাকা দেবে বিক্রেতারা।

এই অতিরিক্ত চার্জের লেনদেন মূলত অ্যাকুয়ারিং ব্যাংক এবং ইস্যুয়িং ব্যাংকের মধ্যে হয়ে থাকে।

যে ব্যাংক কার্ড ইস্যু করে তাকে ইস্যুয়িং ব্যাংক বলে। আর যে ব্যাংকের পস মেশিন ব্যবহার করা হয় সেটাকে অ্যাকুয়ারিং ব্যাংক বলে।

অ্যাকুয়ারিং ব্যাংক হল ইস্যুয়িং ব্যাংকের গেটওয়ে। এবং এই গেটওয়ের মাধ্যমে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের সার্ভিস নেয়া হয়।

যার কারণে ব্যাংককে প্রতিটি ট্রানজেকশন বাবদ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ চার্জ ইস্যুয়িং ব্যাংককে দিতে হয়। চার্জটা মূলত মার্চেন্টের কাছ থেকে আদায় করে ব্যাংক। গ্রাহককে এ ক্ষেত্রে কোনও বাড়তি টাকা পরিশোধের নিয়ম নেই। কিন্তু এখানে হচ্ছে উল্টো।

বিষয়টা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আনা প্রয়োজন।

গত ১৮ই অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।

বাংলাদেশের তফসিলি ব্যাংকসমূহের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের কাছে সেই সার্কুলার পাঠিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো থেকে, ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) এবং ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট স্কিম (আইপিএস) ও কার্ড স্কিমের মাধ্যমে করা ইলেক্ট্রনিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ফি বা চার্জ নির্ধারণ করে দিয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) ব্যবহার করে মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে অ্যাকুয়ারিং ব্যাংক/প্রতিষ্ঠান মার্চেন্ট হতে মোট লেনদেনের অন্যূন ১.৬ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট -এমডিআর বাবদ আদায় করবে। যার মধ্য হতে আইআরএফ বাবদ ১.১ শতাংশ কার্ড ইস্যুয়িং ব্যাংক/প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করবে।

অর্থাৎ, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ছাড়াই, অধিগ্রহণকারী ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোট লেনদেনের ১.৬ শতাংশ সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে ১.১ শতাংশ যাবে কার্ড প্রদানকারী ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের কাছে।

পিওএস লেনদেনে একেক ব্যাংক ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চার্জ কাটতো, তাই বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকের সুবিধার্থে ১.৬ শতাংশ হার নির্ধারণ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

এছাড়া সার্কুলারে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট পেমেন্ট সিস্টেম (আইপিএস) এর নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হলে আইআরএফ বাবদ চার্জের অতিরিক্ত ০.২ শতাংশ চার্জ দিতে হবে।

ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে বাংলা কিউআর -এর মাধ্যমে কার্ড লেনদেন, ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করলে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোট লেনদেনের ০.৭ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) হিসেবে আদায় হবে। এর মধ্যে ০.৪ শতাংশ কার্ড প্রদানকারী ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে যাবে বিনিময় ফি (আইআরএফ) হিসেবে।

এসব ফি বা চার্জ কোন অবস্থাতেই গ্রাহকদের থেকে আদায় করা যাবে না। বিষয়টি অ্যাকুয়ারিং ব্যাংক নিশ্চিত করবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়।

ব্যাংক কর্মকর্তারা কী বলছেন:
সাধারণত কার্ড পেমেন্টে গ্রাহকদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পিওএস মেশিন সরবরাহ করে থাকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

সে সময় মার্চেন্টদের সাথে ব্যাংকের যে চুক্তি হয়, সেখানে স্পষ্টভাবে বলা থাকে যে, এই সার্ভিস ব্যবহারের জন্য মার্চেন্টদের প্রতিটি ট্রান্সজ্যাকশন বাবদ নির্দিষ্ট হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। একে অ্যাকুয়ারিং ফি-ও বলা বলা

এই অর্থ মার্চেন্ট তার মুনাফা থেকেই পরিশোধ করবেন। এই টাকা কোন অবস্থাতেই গ্রাহকদের থেকে নেয়া যাবে না।

এক সময় একেক ব্যাংক ভিন্ন ভিন্ন হারে অ্যাকুয়ারিং ফি ধার্য করতে পারতো। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সবোর্চ্চ চার্জ ১.৬০% নির্ধারণ করে দেয়ায় এখন সেই সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, মার্চেন্টদের সাথে ব্যাংকগুলোর অ্যাগ্রিমেন্টে (চুক্তি) স্পষ্ট বলা থাকে যে, এই চার্জ মার্চেন্টরা দেবেন। গ্রাহকরা নয়। তারপরও যদি গ্রাহকদের থেকে চার্জ কাটা হয় তাহলে সেটা হবে বেআইনি।

খোরশেদ আলমের বক্তব্যের সাথে একমত প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, গ্রাহকদের থেকে শুধুমাত্র কার্ডে পেমেন্টের জন্য বাড়তি টাকা কেটে রাখার কোন অবকাশ নেই।

গ্রাহক কিছু কিনতে গেলে ভ্যাট দিতে পারে, তার ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের বাৎসরিক চার্জ থাকে সেটা দিতে পারে কিন্তু কার্ডে কিনলেই তাকে এক্সট্রা টাকা দিতে হবে, যেটা কিনা ক্যাশে দিতে হবে না। এমন কোন নিয়ম নেই। কে কার্ডে কিনবে কে ক্যাশে কিনবে এটা গ্রাহকের ইচ্ছার ব্যাপার। এজন্য তারা এক্সট্রা চার্জ কেন দেবে?

এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, বিশেষ করে, ক্রেতাদের থেকে অবৈধভাবে টাকা নেয়া হলে, তারা কোথায় অভিযোগ করবেন, প্রমাণ পেলে বিক্রেতার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে সেটারও আইনগত ভিত্তি থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন মিস শেখ।

তার মতে, এ ব্যাপারে এখনই কখনও ব্যবস্থা নেয়া না হলে ক্রেতারা ডিজিটাল পেমেন্টের ওপর থেকে আগ্রহ হারাবেন। ঘুরেফিরে ক্রেতাদের ভোগান্তি। তাদের ক্যাশ নিয়েই ঘুরতে হবে। আবার পেমেন্ট ব্যাংকিং সিস্টেমের মধ্যে হলে স্বচ্ছতা থাকে।

গ্রাহকরা কীভাবে অভিযোগ করবেন?
এরপর কোন গ্রাহককে যদি এমন অতিরিক্ত চার্জ দিতে বলা হয় তাহলে বিষয়টি সবার আগে ইস্যুয়িং ব্যাংককে জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন খোরশেদ আলম।

তিনি বলেন. গ্রাহক যে কার্ডে পেমেন্ট করেছেন, সেই ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারে কল করে কিংবা অভিযোগ সেলে লিখিত বা মৌখিকভাবে জানাতে হবে।

তারা তখন অ্যাকুয়ারিং ব্যাংকের সাথে কথা বলে, গ্রাহকের থেকে কেটে নেয়া অতিরিক্ত চার্জ ফেরত দেয়ার চেষ্টা করবে।

এতে কোন কাজ না হলে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি এন্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের (এফআইসিএসডি) কাছে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়েছেন সিরাজুল ইসলাম।

এই বিভাগটি মূলত বাংলাদেশে ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণে কাজ করে।

গ্রাহকরা চাইলে লিখিতভাবে নাহলে সরাসরি ফোন করে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

কোন মার্চেন্ট এভাবে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাকা নিলে গ্রাহক তাৎক্ষনিকভাবে ১৬২৩৬ নম্বরে কল দিয়ে তার সমস্যার কথা জানাতে পারেন। এফআইসিএসডি বিষয়টি নিষ্পতিতে কাজ করবে।

এছাড়া ফ্যাক্সের মাধ্যমে (০০৮৮-০২-৯৫৩০২৭৩) সেইসঙ্গে (bb.cipc@bb.org.bd)- এই ঠিকানায় ইমেইল করে গ্রাহকরা অভিযোগ করতে পারেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইপিসি বিভাগের ওয়েবসাইটে ইলেক্ট্রনিক কমপ্লেইন সাবমিশন ফরম পূরণ করতে পারেন।

সরাসরি ব্যাংকের সাধারণ ব্যবস্থাপক বরাবর চিঠি লিখতে অভিযোগ করতে পারেন। চিঠি লেখার ঠিকানা: জেনারেল ম্যানেজার, ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি এন্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক (হেড অফিস), দ্বিতীয় অ্যানেক্স ভবন (১৮ তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০।

এমন অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ জানানোর জন্য ২০১৮ সালে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনও চালু করা হয়।

মোবাইল অ্যাপসটি BB Complaints নামে গুগল প্লে স্টোরে আপলোড করা হয়েছে, যা সেখান থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অ্যাকুয়ারিং ব্যাংককে নির্দেশ দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তদন্তে যদি অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে গ্রাহক যে বাড়তি টাকা দিয়েছেন সেটি ফেরত পাবেন। এবং ওই বিক্রেতাদের সতর্ক করা হবে বলে জানিয়েছেন সিরাজুল ইসলাম।

মন্তব্য

মতামত দিন

অর্থনীতি পাতার আরো খবর

বাংলাদেশ-ভারত বিমান চলাচল শুরু

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সাত মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও . . . বিস্তারিত

যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশ খাদ্যপণ্য আমদানি করে

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: সম্প্রতি ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার পর, হঠাৎ করে দেশে পেঁয়াজের দাম কয়েকগুণ বেড়ে . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 

ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com