নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই রাশিয়া থেকে পণ্য কিনছে যুক্তরাষ্ট্র

২৭ আগস্ট,২০২২

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই রাশিয়া থেকে পণ্য কিনছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: এই গ্রীষ্মের একটি উত্তপ্ত আর্দ্র দিনে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল দিয়ে প্লাইউড, অ্যালুমিনিয়ামের রড এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থ বোঝাই একটি বিশাল কন্টেইনার জাহাজ বাল্টিমোর বন্দরে পৌঁছাতে দেখা গেছে। এসব পণ্য রাশিয়ার বিভিন্ন মাঠ, বন এবং কারখানা থেকেই আসছে যুক্তরাষ্ট্রে। বার্তা সংস্থা এপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পরও যুক্তরাষ্ট্রে নানা রকমের রুশ পণ্য রপ্তানি করছে মস্কো। এসব পণ্য রপ্তানি করে বিলিয়ন ডলার আয় করছে রাশিয়া। অবশ্য এসব পণ্যের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলো মস্কোর বিরুদ্ধে লাগাতার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এরপরও ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া অন্তত ৩,৬০০টি পণ্যের চালান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঠ, ধাতব পদার্থ, রাবার এবং অন্যান্য জিনিস।
অবশ্য গত বছরের একই সময়ে রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৬,০০০ চালান পাঠানো হয়েছিল। সেই হিসাবে এবার মার্কিন বন্দরগুলোতে রাশিয়ার পণ্যের চালান অনেক কমেছে। কিন্তু তারপরেও প্রতিমাসে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পাঠিয়ে ১০০ কোটিরও বেশি ডলার আয় করছে।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে আরও বলছে, রাশিয়া থেকে প্রায় প্রতিদিন মার্কিন বন্দরে জাহাজ ভিড়ছে।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার যে সমস্ত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তাতে রাশিয়ার যতটা ক্ষতি হচ্ছে তার চেয়ে সম্ভবত বেশি ক্ষতি হচ্ছে ওয়াশিংটনের। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কোনো আমদানিকারক হয়তো এ সব রুশ পণ্যের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করতে পেরেছেন, তবে অনেকেই তা পারেননি বলে জানিয়েছে এপি।

এর আহগে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, রাশিয়ার কৃষি ও খাদ্য পণ্যের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। তবে পুতিন যতদিন ইউক্রেনে তার আগ্রাসন অব্যহত রাখবেন ততদিন অন্যন্য নিষেধাজ্ঞাগুলো বজায় রাখা হবে।

২০২১ সালে রাশিয়া থেকে ২৬২.৬ মিলিয়ন ডলারের ইউরিয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সলিউশন ক্রয় করে যুক্তরাষ্ট্র।

রাশিয়া এবং ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সার রপ্তানিকারক দেশ। এ দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ চলার কারণে দাম বেড়ে গেছে সারের। ফলে অনেক কৃষক তাদের চাষাবাদ কমিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছেন।

দাম কমাতে ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত সপ্তাহে রাশিয়ার ইউরিয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সারের ওপর আরোপিত বিভিন্ন কর ওঠিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশন।

মন্তব্য

মতামত দিন

আমেরিকা পাতার আরো খবর

টর্নেডোর আঘাতে লণ্ডভণ্ড আমেরিকার কেন্টাকি, শতাধিক নিহতের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: ৩৬৫ কিলোমিটার বেগের এক টর্নেডোর আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি অঙ্গরাজ্ . . . বিস্তারিত

মায়ামির ধসে পড়া ভবনের ‘বড় ত্রুটি’ আগেই জানানো হয়েছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: ফ্লোরিডার মায়ামিতে যে ভবনটি ধসে পড়েছে সেটায় বড় ধরনের ত্রুটি পাওয়া গিয়েছিল। ২০১৮ সাল . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 

ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com